কসর নামাজ কাজা পড়ার নিয়ম - কসর নামাজের শর্ত

আসসালামুয়ালাইকুম প্রিয় বন্ধুরা আপনারা আজকে যে বিষয়টি সম্পর্কে জানবেন তা হল কসর নামাজ কাজা পড়ার নিয়ম - কসর নামাজের শর্ত সম্পর্কে। তো বন্ধুরা আপনারা যারা বসর নামাজ পড়ার নিয়ম ও শর্ত কোনটাই জানেন না আপনারা অবশ্যই এই পোস্টটি মাধ্যমে কসর নামাজ কাজা পড়ার নিয়ম - কসর নামাজের শর্ত সম্পর্কে জেনে যাবেন। তো চলুন বন্ধুরা আমরা জেনে আসি কসর নামাজ কাজা পড়ার নিয়ম - কসর নামাজের শর্ত কি।
কসর নামাজ কাজা পড়ার নিয়ম
প্রিয় বন্ধুরা আপনারা যদি কসর নামাজ কাজা করার নিয়ম সম্পর্কে না জানে তাহলে অবশ্যই আমাদের এই কনটেন্ট টি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। তাহলে অবশ্যই আপনারা কসর নামাজে শর্ত সহ কসর নামাজ কাজা পড়ার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

ভূমিকা

প্রিয় বন্ধুগণ আজকের এই পোস্ট আপনাকে জানিয়ে হবে, কসর নামাজ সম্পর্কে। অনেকেই জানেন এই কসর নামাজ কি, আবার অনেকেই জেনে থাকলে জানেন না এই নামাজ কখন পড়তে হয় এবং এই নামাজ পড়ার নিয়ম কি। এই নামাজ আপনার নিজের বাড়িতে আদায় করলে কখনো হবে না। এই নামাজকে আপনার বাড়ি থেকে ৪৮ কিলোমিটার দূরে আদায় করতে হয়। আল্লাহ তার এবাদতের জন্য আমাদের সৃষ্টি করেছেন। এ পৃথিবীতে তিনি আমাদেরকে পাঠিয়েছেন তার ইবাদতের জন্য। 
আল্লাহ তায়ালা কসম নামাজ চার ওয়াক্ত করেছেন এবং এটি তার বান্দাদের প্রতি উপহারস্বরূপ পাঠিয়েছেন। আমাদের জন্য এই নামাজগুলো পড়া ওয়াজিব। কারণ আল্লাহ তায়ালা এই নামাজগুলো আমাদের কাছে উপহার হিসেবে পাঠিয়েছেন। এই নামাজটি ভ্রমনে গিয়ে পড়তে হয়। কসরের নামাজ চার ওয়াক্ত পড়তে হয়। বিমান, গাড়ি, ট্রেন সব জায়গাতেই এই নামাজ পড়তে হয়। কসরের নামাজ সফর যুক্ত এক ধরণের নামাজ। এই নামাজটি চার ওয়াক্তে বেশি পড়তে হয় না। 
আরো পড়ুন 
এক স্থানকে অন্য জায়গায় সফরে গিয়ে যারা নামাজ আদায় করে থাকে, তাদেরকে মুসাফির বলা হয়ে থাকে। ব্যক্তিগত প্রয়োজন এবং অফিসিয়াল কাজ করার জন্য বিভিন্ন জায়গায় সফর করতে হয়। দূর দূরান্তের বিভিন্ন জায়গায় মানুষকে বিভিন্ন ভ্রমন করতে হয়। ভ্রমণে গিয়ে কোন ব্যক্তি যদি নামাজ আদায় করে থাকে, তাহলে ওই ব্যক্তিকে পাঁচ ওয়াক্তের মধ্যে চার ওয়াক্ত নামাজ আদায় করলেই হয়।

এবং এই নামাজ সংক্ষেপে পড়লে কথা বলা আছে ইসলামে। ১৫ দিনের কম থাকার নিয়ত করলে তাকে চার ওয়াক্ত নামাজ আদায় করতে হয়। এই কয় ওয়াক্ত নামাজ পড়ার মাধ্যমে আল্লাহতালা তার কল্যাণ করে থাকেন।

মাগরিবের কসর নামাজের নিয়ম

প্রিয় বন্ধুগণ এই পোস্টটে আপনারা জানাবেন,মাগরিবের কসর নামাজের নিয়ম। প্রিয় বন্ধুরা আপনারা জানেন যে বাড়ি থেকে ৪৮ মাইল দূরে অবস্থান করলে কসর নামাজ। এবং কেউ যদি ভ্রমণ অবস্থায় গিয়ে নামাজ আদায় করে তখন তাকে মুসাফির বলা হয়ে থাকে। এবং এই অবস্থায় যদি কেউ নামাজ আদায় করে থাকে তখন সে নামাজকে কসরের নামাজ বলা হয়ে থাকে। কসরের নামাজ সম্পর্কে ইসলামের বিধানে রয়েছে, সংক্ষিপ্ত আকারে পড়লেই আল্লাহ তলায় নামাজগুলো আদায় করে নেন। 

তো বন্ধুরা মাগরিবের কসরের নামাজ নেই মাগরিবের তিন রাকাত নামাজ রয়েছে। আর এইজন্য মুসাফিরের জন্য ইসলাম বিধান অনুযায়ী মাগরিবের তিন রাকাত নামাজ পড়তে হয়। এবং আপনি যদি ১৫ দিন এরকম নিয়ত করে বাড়ি থেকে বের হন সফরের জন্য তবে আপনি মুসাফির হবেন। এবং কসরের নামাজ আদায় করতে পারবেন। কসরের নামাজ অন্যান্য নামাজের থেকে আলাদা।

কসর নামাজ কাজা পড়ার নিয়ম

আসসালামুয়ালাইকুম প্রিয় বন্ধুরা,কসর নামাজ কাজা পড়ার নিয়ম সম্পর্কে আপনাদেরকে জানানো হবে আপনারা যারা জানতে চান,কসর নামাজ কাজা পড়ার নিয়ম এই পোস্টে পেয়ে যাবেন। যদি কোন ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা না হয়ে থাকে তাহলে সে নামাজটি হচ্ছে কাজা নামাজ। কাজ আর নামাজ পড়ার জন্য তাকে সেই দিন এবং কোন ওয়াক্তের নামাজ কাজা সেটা উল্লেখ করে বলে নিয়ত বাঁধতে হয়। আর যদি দিন তারিখ বা কোন ওয়াক্তের নামাজ কাযা করেছেন ।
আরো পড়ুন 
তাহলে আপনাকে নিয়ত বাধতে হবে । এই বলে যে আমি আমার জীবনের প্রথম কাজা নামাজ আদায় করছি। এবং এখানে ওয়াক্ত এর কথা উল্লেখ করে বলতে হয়। কাজা নামাজের একটি সহজ উপায় রয়েছে যে, একমাত্র কাজি নামাজ আদায় করার সময় আপনি কয়েক ওয়াক্তের কাজের নামাজ একসাথে আদায় করতে পারবেন। এবং যে ব্যক্তির কাজা নামাজ রয়েছে সে ব্যক্তির সবচেয়ে বড় ভালো কাজ হচ্ছে নফল নামাজের পরিবর্তে সে যেন কাজা নামাজ আদায় করে থাকে।

কসর নামাজের নিয়ম ও নিয়ত

প্রিয় বন্ধুরা এবার আপনাদেরকে জানানো হবে,কসর নামাজের নিয়ম ও নিয়ত। অনেকেই অনেক সময় ই প্রশ্ন করলে থাকেন যে,কসর নামাজের নিয়ম ও নিয়ত সম্পর্কে। অনেকে রয়েছে নামাজের নিয়ম ,নিয়ত কোনটাই জানেন না ।আবার অনেকেই রয়েছেন যারা নিয়ত জানেন অথবা নিয়ম জানেন না। অথবা নিউজ চ্যানেল না আবার অনেকে রয়েছেন যারা নিয়ত জানেন অথবা নিয়ম জানেন না। বন্ধুরা আজকের এই পোষ্টের মাধ্যমে আপনাদেরকে দুইটাই জানানো হবে।

কসরের নামাজে চার রাকাত বৈশিষ্ট্য নামাজে চার রাকাত ফরজ নামাজ পড়লে নামাজ আল্লাহর কাছে পরিপূর্ণ ভাবে কবুল হয় না। কোন মুসাফির সফল অবস্থায় চার রাকাত নামাজ পূর্ণ করলে সে ক্ষেত্রে তার গুনাহ হয়ে থাকে।

কসর নামাজের শর্ত

প্রিয় বন্ধুরা আপনাদের আলোচ্য বিষয় কসর নামাজের শর্ত সম্পর্কে। তো প্রিয় বন্ধুরা যারা কসর নামাজ পড়েন কিন্তু আসর নামাজের শর্ত সম্পর্কে জানেন না তারা অবশ্যই পোস্টটি পড়বেন। আপনারা যদি কসর নামাজ পড়েন তাহলে আপনার জন্য আসর নামাজের শর্ত প্রযোজ্য শর্ত হচ্ছে আপনি যদি ভ্রমণের দূরত্ব ৪৮ কিমি এর কম না হয়। আপনি যদি সেই স্থানে চার দিনের বেশি সময় অবস্থান করেন তবে সে ক্ষেত্রে নামাজ গুলো পূর্ণ সংখ্যায় চার রাকাত আদায় করতে হবে ।
এবং দুই রাকাত ওয়াক্তের নামাজ জহুর ও আসর মাগরিব ও এশা একত্রে আদায় করা কসর বা মুসাফিরের নামাজেরজন্য জায়েজ। তো প্রিয় বন্ধুরা আপনারা অবশ্যই বুঝে গেলেন যে কসর নামাজের শর্ত কি।

কসর নামাজের মাসআলা

প্রিয় পোস্ট পাঠক ভাইয়েরা কসর নামাজের মাসআলা সম্পর্কে আপনাদের ধারণা না থাকলে এই পোস্টটি আপনাদের জন্য আপনারা কসর নামাজের মাসয়ালা সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নেবেন। যে মুসাফির ব্যক্তি পথের মধ্যে চার রাকাত নামাজ ফরজ অর্থাৎ জোহর আসর ও এশার ফজর নামাজ কে দুই রাকাত পড়বে এবং একে কসরের নামাজ বলে। কসর নামাজের তিন রাকাত বা দুই রাকাত বিশিষ্ট ফরজ নামাজ ওয়াজিব নামাজ এমন ভাবে সুন্নত নামাজ পূর্ণ পড়তে হবে ।

এ হলো পথের মধ্যে থাকাকালীন সময়ের বিধান। কেউ কোন স্থানে যদি ঘুরতে গিয়ে কমপক্ষে ১৫ দিন থাকে অতঃপর সেখানে রেখে গিয়ে উক্ত স্থানে থেকে চলে গেলে এরপর সেখানে ১৫ দিনের কম থাকার নিয়তে গেলেও মুকিমগণ হবে বা মুসাফির হবে। সে উক্ত স্থানে মুসাফির হবেনা।কোন চাকরিজীবী বা পেশাজীবী যদি বাসা ভাড়া করে থাকেন তার গ্রামের বাড়িতে গেলেও বাসায় সামানপত্র রেখে যায় কাজেই শহরে তার মুকিমগণ হবে তবে এক্ষেত্রে একবার একটানা 15 দিন থাকা শর্ত। 
আরো পড়ুন 
আবার কেউ যদি একই স্থানে বা দুই স্থানে 15 দিন থাকার নিয়ত করে তবে সে প্রতিদিন রাতে এক জায়গাতে থাকবে এবং দিনে অন্তত অবস্থান করবে এমত অবস্থায় সে রাতের স্থানে মুকিম হবে এবং পুরো নামাজ পড়বে কিন্তু যদি দিনের কর্মস্থল রাতের স্থান থেকে ৪৮ মাইল দূরত্ব হয় তবে দিনে স্থানে মুসাফির হবে এবং কসর করবে। এবং কেউ যদি উভয় স্থানে কমপক্ষে ৪৮ মাইল না হয় তবে উভয় স্থানে পৌর নামাজ পড়বে মোটকথা রাতে থাকার স্থান ধন্তব্য হবে।

শেষ কথা

বন্ধুরা আপনারা এই পোস্টের মাধ্যমে অবশ্য কসরের নামাজ সম্পর্কে জেনে গিয়েছেন কসরের নামাজ কাজা করার নিয়ম কি কোন ব্যক্তি যদি কোন স্থানে ১৪ থেকে ১৫ দিনের জন্য থাকার নিয়ত করে যায় তাহলে সে ব্যক্তির জন্য বছরের নামাজ প্রযোজ্য এছাড়াও আপনারা এই পোস্ট এর মাধ্যমে জানলেন কসর নামাজ কাজা পড়ার নিয়ম শুধু তাই নয় বন্ধুরা ফসর নামাজের নিয়ম ও নিয়ত দুটি সঠিকভাবে জানানো হয়েছে এবং নিয়ত যদি সঠিক না থাকে তাহলে আপনারা কসরের নামাজ পড়তে পারবেন না এবং এই কসরের নামাজ পড়ার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে যেগুলো শর্ত অবশ্যই আপনাকে মানতে হবে এবং কসর নামাজের মাসআলা ও রয়েছে সেগুলো আমাদের অবশ্যই জানতে হবে এবং জেনে নামাজ পড়তে হবে তো বন্ধুরা এ সকল পোস্ট পেতে আমাদের এই ওয়েবসাইটটি ফলো করুন এবং প্রতিনিয়ত ভিজিট করে পোস্টটি করুন আপনাকে পোস্ট পড়ে সময় দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ফার্স্ট ব্লগার আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url