আয়রনের অভাবে কোন রোগ হয় - আয়রনের ঘাটতি পূরণের ঔষধ

 প্রিয় বন্ধু আজ আপনাদের জানা হবে,আয়রনের অভাবে কোন রোগ হয় - আয়রনের ঘাটতি পূরণের ঔষধ।অনেকে প্রশ্নটা করে থাকেন যে,আয়রনের অভাবে কোন রোগ হয় - আয়রনের ঘাটতি পূরণের ঔষধ। তো বন্ধুরা আজ আপনাদের প্রশ্নের উত্তর আয়রনের অভাবে কোন রোগ হয় - আয়রনের ঘাটতি পূরণের ঔষধ এই পোস্টে আলোচনা করা হয়েছে।
আয়রনের অভাবে কোন রোগ হয় - আয়রনের ঘাটতি পূরণের ঔষধ
প্রিয় বন্ধু আপনি কি আয়রন সম্পর্কে যাচ্ছেন। এবং আয়রনের অভাবে কি কি রোগ হতে পারে এছাড়াও আয়রনের ঘাটতি পূরণ করার উপায় কি এগুলো জানার জন্য কি অনলাইনে বের হয়ে যায় খুঁজে যাচ্ছেন। তো বন্ধুরা আর নয় চিন্তা, আছে এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদের এসব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে।

ভূমিকা

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় বন্ধুরা আজকে আমরা জানবো আমাদের শরীরে আয়রন ঘাটতে হলে আমাদের করণীয় কি অথবা ঘাটতি পূরণ করার উপায় কি। আমরা অনেকেই শুধু এটাই জানি যে গর্ভকালীন অবস্থায় আয়রন ওষুধটি খেতে হয়। কিন্তু কেন খেতে হয়, শুধু কি গর্ভাবস্থায় খেতে হয়, এছাড়া কি কোন সময় খাওয়া যায় না। গর্ভাবস্থায় আয়রন ওষুধ খাওয়ার কারণ হচ্ছে মহিলাদের আয়নের অনেক সমস্যা হয়ে থাকে.

গর্ভাবস্থায় আয়রন বড়ি খেলে বাচ্চার বিভিন্ন ধরনের সমস্যা থেকে রক্ষা পায়। এছাড়াও আয়রনের অভাবে ক্লান্তি লাগা, মাথা ভরা ,চোখে ঝাপসা দেখা এবং অনিয়মিত মাসিক হয়ে থাকে। এছাড়াও আয়রনের কিছু তথ্য জেনে নেব নিচে যে কনটেন্ট গুলো রয়েছে তার মাধ্যমে।

আয়রনের ঘাটতি পূরণের উপায়

প্রিয় বন্ধুরা, আমাদের শরীরে আয়রন একটি প্রয়োজনীয় উপাদান।আয়রনের ঘাটতি পূরণের উপায় সম্পর্কে আমাদের জানা দরকার যদি কোন সময় আমাদের শরীরে আয়নের ঘাটতি হয়। তাহলে,আয়রনের ঘাটতি পূরণের উপায় জেনে থাকলে আমাদের অনেকটা সুবিধা হয়ে থাকবে ওই ঘাটতি গুলো পূরণ করতে। আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে সজনে পাতার গুরুত্ব অনেক রয়েছে। সজনে পাতাতে রয়েছে, ভিটামিন এ সি ও ম্যাগনেসিয়াম। 
যা আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে অনেক ভূমিকা রেখে থাকে। সকালে খালি পেটে এ পাতাতে খেলে আয়নের অনেক ঘাটতি পূরণ হয়ে যায়। যদি আপনার শরীরে সরকারের মাত্রা ঠিক থাকে তাহলে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে 10 থেকে 12 টি কিসমিস খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। কিসমিস এর সঙ্গে প্রতিদিন কয়েকটি করে খেজুর খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। খেজুর ও কিসমিসে রয়েছে, কপার, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি ও ম্যাগনেসিয়াম। 

যা আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে থাকে। আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতে আরো প্রয়োজন হয়ে থাকে, সেলেনিয়াম, ফোলেট, ভিটামিন ই সমৃদ্ধ তেল, জিংক, এর পাশাপাশি তো আয়রন কপার প্রয়োজন। এইসব আপনি পেয়ে যাবেন সাদা বা কালো তিলে। আয়রনের সমস্যা বিশেষ করে মেয়েদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। 

এবং এই সমস্যা এর জন্য মাথা ঘোরা, হাত পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া ইত্যাদি লক্ষণ দেখা দেয়। আয়রনের অভাব ঘাটলে সারা শরীরে রক্তে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয়। আর এইসব কারণেই আমাদের শরীরে সবসময় আয়রনের মাত্রা ঠিক রাখতে হবে।

আয়রনের অভাবে কোন রোগ হয়

প্রিয় বন্ধুগণ এবার আমাদের জানার পালা,আয়রনের অভাবে কোন রোগ হয়। প্রিয় বন্ধুরা, আমাদের শরীরে আয়রনের অভাবে কোন রোগ হয় চলুন সেগুলো আজ জানা যাক এই পোস্টের মাধ্যমে। মূলত রক্তশূন্যতার জন্য আয়রনের অভাব হয়ে থাকে এবং আয়নের অভাবে যেসব রোগ হয় সেগুলো হল: অ্যানিমিয়া রোগ আয়রনের অভাবে হয়ে থাকে। 

আয়রনের অভাবে রক্তে অক্সিজেনের অভাব দেখা দেয়। এছাড়াও আয়রনের অভাবে মাথা ঘোরা, ক্লান্তি বোধ করা, দৃষ্টি শক্তি পরে আসতে পারে এবং সমস্যা হয়ে থাকে। মূলত আয়রনের অভাবে এসব সমস্যা দেখা দেয়।

শরীরে আয়রন বেশি হলে কি হয়

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় বন্ধুরা, আজকে আমাদের আলোচনা হবে আয়রন নিয়ে। শরীরে আয়রন বেশি হলে কি হয় এ সম্পর্কে জানতে পারবেন এই বিষয়টি জানার জন্য আপনাদের এই পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে। শরিলে উচ্চমাত্রায় আয়রন দেখা দিলে লৌহ উপস্থিতির সঙ্গে যকৃতের ও ডায়াবেটিস রোগের আশঙ্কা দেখা দিতে পারে । তবে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা অনেক কিছু বিশ্লেষণ করার পর কিছুদিন আগে এক গবেষণায় প্রকাশিত হয়ে উঠেছে এমন একটি তথ্য। 

গবেষকরা যৌথভাবে ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ অস্ট্রেলিয়া ও লন্ডনে ইম্পেরিয়াল কলেজ এ গবেষণা হয়েছে। সেই সম্পর্কে শরীরে আইরন এর প্রভাব বেশি হলে কি কি ক্ষতি হতে পারে সেই বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে। শরীরে আয়রন বেশি হওয়ার কারণে কোলেস্টেরল খুব বেশি উপস্থিতিতে যে ঝুঁকি তৈরি হয় শরীরে আয়রন বেশি থাকলে তাও নিয়ন্ত্রণে রাখে। তবে ডায়াবেটিস এবং ত্বকের ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ ও যকৃতের রোগ বেড়ে যেতে পারে .

শরীরে অতিরিক্ত আয়রনের উপস্থিতিতে। তবে এক গবেষণায় জানা গিয়েছে যে কোন মানব শরীরে প্রয়োজনের চেয়ে আয়রনের সংখ্যা বেশি থাকলে উচ্চ মাত্রার কোলেস্টেরলের ঝুঁকি কমে যায়। তবে ওই গবেষণার পরিসংখ্যানে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে যেখানে বংশগতি বিষয়ক উৎপাদ্য আয়রনের উপস্থিতি ব্যবহার করে রোগের ধরন কিছু কিছু পরিবর্তন হয় তা দেখা হয়েছে 900 রোগের। তবে শরীরে প্রয়োজনে তুলনায় আয়রন বেশি থাকার জন্য সেলাইটিস নামের ব্যাকটেরিয়াজনিত .
এক ধরনের ত্বকের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা পাওয়া গিয়েছে অনেক আগে। প্রায় সেটা ২০১৫ সালে ১০ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছিল এই ত্বকের রোগে। তবে সেই রোগের কারণে মারা গিয়েছিল একই বছরে ১৭ হাজার মানুষ।

আয়রনের ঘাটতি পূরণের ঔষধ

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় বন্ধুরা, আপনারা অনেকেই আইরন ঘাটটির জন্য অনেক রোগে ভুগতেছেন কিন্তু আপনারা জানেন না যে আয়রনের ঘাটতি পূরণের ঔষধ কি সে সম্পর্কে জানেন না তো আজকের এই পোস্টে আপনি আয়রনের ঘাটতি পূরণের ঔষধ কি সেটা জানতে পারবেন। হিমোগ্লোবি ন উৎপাদনের অভাব আসে আয়রনের অভাব থেকে। কোন এক পরিসংখ্যানে বলেছে যে মেয়েদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি হয় তবে ছেলেদেরও এ সমস্যা হয়ে থাকে কিন্তু মাত্রায় অতি কম। 

শরীরে আয়রন কমে গেলে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কমে যায় এবং সে থেকে আসে বিভিন্ন ধরনের কিডনির সমস্যা। আপনারা হয়তোবা জানেন না মানব শরীরে কিডনি একটি ছাঁকনির মত কাজ করে থাকে যেটি দ্বারা শরীরে সব রকম রক্ত বিশুদ্ধকরণ হয় এবং সেই রক্ত গুলি শরীরের সব রক্ত জায়গায় পৌঁছে যায় তাই শরীরে বিশেষভাবে নজর দিন। 

শরীরে হিমোগ্লোবি ন কমে গেলে সুষম খাদ্য খাওয়ার পাশাপাশি পরামর্শ নিন চিকিৎসকদের। তবে আপনার শরীরে যদি আয়রনের ঘাটতি হয় সে ক্ষেত্রে আপনি জিফ- সিআই খেতে পারেন ।

আয়রন ট্যাবলেট খেলে কি মোটা হয়

আসসালামু আলাইকুম প্রিয় বন্ধুরা, আপনাদের আজকের এই পোস্টের মাধ্যমে জানানো হবে যে আয়রন ট্যাবলেট খেলে কি মোটা হয় এই সম্পর্কে। প্রত্যেক মেয়ে সাধারণত বিয়ের পর মোটা হয়ে থাকে এর কারণ হলো জন্মবিরতীকরণ যদি বুঝতে না পারেন বিষয়টি হলো বিল খাওয়া দীর্ঘ মিয়াদে বিলগুলোর পাশাপাশি আয়রন সেবন করতে হয় আর এজন্যই অনেক মেয়েরা মোটা হয়। এছাড়াও অনেকেই জানতে চান যে আয়রন ট্যাবলেট খেলে কি মোটা হয়। 

আসল কথা হল জন্মবিরতিকরণ এর জন্য মহিলারা যে ওষুধ খায় পাশাপাশি আয়রন ট্যাবলেট নির্দেশিত হলেও এটি শুধু যে মহিলাদের জন্য বিষয়টি এমন নয়। ছেলেদের শরীরেও যদি আয়রনের সর্বদা দেখা দেয় সে ক্ষেত্রে চিকিৎসক আয়রন খাওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকেন। যদি পুরুষের দেহে এও দেখা দেয় রক্তস্বল্পতা তারাও আয়রন ট্যাবলেট সেবন করতে পারবেন তবে স্বাভাবিক মাত্রা এটি সেবন করলে কোন সমস্যা হয় না। তবে বিশ্বাস করে মহিলাদের এই আয়রন ট্যাবলেট নির্দেশিত হয় ।

তাদের পিরিয়ড ঠিক রাখার জন্য। সাধারণত যারা পিল খেয়ে থাকেন তাদের শরীরে বিভিন্ন রকমের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় তবে এই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার মধ্যে সবচাইতে বেশি গন্ডগোল হয় মেসিকে তারা যদি পিলের পাশাপাশি নিয়মিত আয়রন ট্যাবলেট সেবন করেন তাহলে শরীরের রক্ত সরবরাহ জনিত কোন সমস্যা থাকে না এতে করে সঠিক সময় পিরিয়ড হয়ে থাকে। তবে সবশেষে আমরা বলে থাকবো যে আইরন ট্যাবলেট খাওয়ার জন্য কোন মেয়ে মোটা হয় না ।

বরং শরীরে আয়রনের অভাব ও রক্তস্বল্পতা মতো সমস্যা দূর করার মাধ্যমে শরীর সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। আই ডোন্ট ট্যাবলেট খাওয়ার জন্য কোন ব্যতিক্রম নিয়ম নেই এটি আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবন করতে পারেন এবং আপনি এটি প্রতিদিনই একটি করেও খেতে পারেন সেটা হতে পারে দুপুরে অথবা রাতে।

শেষ কথা

প্রিয় বন্ধুরা, আজকে কি পোস্টের মাধ্যমে আমরা আয়রনের বিভিন্ন দিকগুলো জেনেছি আমাদের জানা অজানা অনেক বিষয় ছিল এই পোস্টে। এই পোস্টে আমরা জেনেছি আয়রনের অভাবে শরীরের রক্তের অক্সিজেনের অভাব হয়ে থাকে এছাড়াও আয়রনের অভাবে মহিলাদের অনেক সৃষ্টি হতে পারে ‌। এছাড়াও আয়রনের যেসব ভিটামিন ,ম্যাগনেশিয়াম রয়েছে বেশ উপকারী। 
খেজুর ,কিসমিস ,সজনে পাতা ইত্যাদি খাবারের মাধ্যমে আয়রনের ঘাটতি পূরণ করা যায়। তো বন্ধুরা আপনারা যদি এমন পোস্ট পেতে চান ।তাহলে ,আমাদের ফাস্ট ব্লগার ওয়েবসাইটের মাঝেমধ্যে ভিজিট করবেন ,ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ফার্স্ট ব্লগার আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url